Car Tips and TricksBike Tips and Tricks

অনলাইনে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম ২০২১

হ্যালো প্রিয় কার ও বাইক লাভার বন্ধুরা, সহজে অনলাইনের মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম নিয়ে ২০২১ এর এ আর্টিকেলটি আপনাকে সাহায্য করবে এ আশা ব্যক্ত করে এ পোস্ট পাবলিশ করেছি। ইনশাল্লাহ পুরো পোস্টটি পড়বেন ও কিছু না বুঝলে ভিডিওগুলো দেখবেন।

অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন:

অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার পদ্ধতি নিয়ে বানানো ভিডিও দেখতে পারেন:

কোনো ঝামেলা ছাড়াই ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম নিয়ে বানানো ভিডিও ব্লগ:

ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার সফটওয়্যার:

click here app link

অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম ২০২১

  • ১। আবেদনকারীর ছবি(সর্বোচ্চ ১৫০ কেবি)
  • ২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৬০০কেবি)।
  • ৩। জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদ/পাসপাের্ট/নাগরিকত্ব সনদ এর সত্যায়িত কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কেবি)
  • ৪। ইউটিলিটি বিল সংযুক্তি (সর্বোচ্চ ৬০০কেবি), আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদ/পাসপাের্ট/
  • বি:দ্র: নাগরিকত্ব সনদ এর ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত করতে হবে

এভাবে উপরোক্ত কাগজপত্র দিয়ে  ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পারবেন, আর  নিয়ম  এর কথা বলতে গেলে ২০২১ সালে এটা খুবই সোজা।

অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম

লাইসেন্স ব্যবহারের নিয়ম (ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স):

ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম

গাড়ির চালনার প্রধান শর্ত হলাে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। একজন চালক প্রকৃতপক্ষে গাড়ি চালনা করার উপযুক্ত কিনা- তা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়। সুতরাং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার অর্থ হলাে- উক্ত চালকের গাড়ি চালানাের কোন যােগ্যতা নেই। পরবর্তীতে এইসব বিষয় নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে।

১। কোনও ড্রাইভারকে গাড়ি চালাতে গেলে, চালককে নিজের সঙ্গে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানাে বে-আইনী ও অপরাধ বলে গণ্য হয়।

২। একজনের লাইসেন্স নিয়ে আর একজন গাড়ি চালাতে পারবে না। যদি পুলিশ কোনও সময় লাইসেন্স দেখতে চায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তা দেখাতে হবে। তাই ড্রাইভারের কাছে সবসময় লাইসেন্স রাখা কর্তব্য। যে নির্দিষ্ট স্থানের জন্য লাইসেন্স সেই জায়গাতেই গাড়ি চালানাে যায়। অন্য জায়গায় চালালে তা হলাে একটি বে-আইনী কাজ বা অপরাধ।

৩। কখনাে লাইসেন্স হাতছাড়া করতে নেই। যদি কখনাে কোনও পুলিশ অফিসার ড্রাইভারের কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে নিতে চান, তাহলে সবসময় তার কাছ থেকে একটি রসিদ চেয়ে নিতে হবে।

লাইসেন্স প্রাপ্ত ড্রাইভারকে নিচের নিয়ম-কানুন মেনে গাড়ি চালাতে হবে:

(ক) সব সময় পথের বিধি মেনে ও ভালমন্দ বিবেচনা করে, গাড়ি চালাতে হবে;

(খ) কখনাে মদ বা মাদক দ্রব্য খেয়ে গাড়ি চালাতে পারবে না;

(গ) কোনও দুষ্কার্যে সহায়তা করতে পারবে না;

(ঘ) নির্দেশ ছাড়া পথ পার হতে পারবে না;

(ঙ) ট্রাফিক নিয়ম-কানুন সব মেনে চলতে হবে;

(চ) গাড়িতে কখনও অবৈধ জিনিসপত্র বহন করবে না।

৫। লাইসেন্সের উল্টো পিঠেই গাড়ি চালাবার নিয়ম কানুন- কোনটা ন্যায় কোনটা অন্যায় সব লেখা থাকে। তা ভাল করে ড্রাইভারকে জেনে নিতে হবে।

৬। মােটর চালানাে পূর্ণভাবে শিক্ষার আগে মােটর চালাবার শিক্ষার লাইসেন্স নিতে হবে। এই লাইসেন্সকে বলা হয় লার্নার লাইসেন্স। যে-সব গাড়ি দ্বারা এইভাবে চালনা শিক্ষা করা হয়, সেই গাড়ির সামনে ও পিছনে বড় বড় করে লাল অক্ষরে ‘L’ অর্থাৎ (Learning car) এই কথাটা লিখে রাখতে হবে।

৭। যদি কোনও গাড়ির মালিক তার নিজস্ব বাড়ির বা গ্যারেজের ঠিকানা পাল্টে ফেলেন, তা সঙ্গে সঙ্গে বিভাগীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।
মােটরগাড়ি চালনার কয়েকটি বিশেষ নিয়মকানুন
সব ধরনের মােটরগাড়ির চালককে কিছু বিশেষ নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়।
শুধু মােটরগাড়ি নয়- সেইসাথে যন্ত্রচালিত সকলপ্রকার যানবাহন চালনার কিছু সরকারি
নীতিমালা রয়েছে।

ড্রাইভারকে সেইসব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয় সেগুলাে নিয়ে আলােচনা করা হয়েছেঃ

১। গাড়ির হর্ণ, ব্রেক, গিয়ার ও স্টিয়ারিং ঠিক থাকা চাই। তা না হলে গাড়ি বের করা চলবে না।

২। রাতের বেলা গাড়ি চালাতে গেলে গাড়ির আলাে ঠিকমতাে থাকা চাই।

৩। সূর্য অস্ত যাবার আধ ঘণ্টা পর থেকে ও ভাের হবার আধঘণ্টা আগে পর্যন্ত গাড়ির বাতি জ্বালিয়ে রাখতে হবে।

৪। যে গাড়ি যতটা মাল বহন করার উপযােগী ঠিক ততটা মালই নিতে পারবে- তার বেশি বা কম নেওয়া চলবে না। তাহলে তা আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ ।

৫। সবসময় গাড়ি পথের বামদিক দিয়ে চলবে; যদি পথ ক্রস করতে হয় তবে সিগন্যাল দিতে হবে।

৬। যেখানে যতটা স্পিডে গাড়ি চালাবার নির্দেশ আছে, সেই গতিতেই গাড়ি চালাতে হবে। যেমন হয়তাে সিগন্যাল আছে 20 M.PH.- সেখানে ২০ মাইলের বেশি গতি কদাচ হবে না।

৭। যদি কোনও দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করা উচিত নয়। আইন হলাে, আঘাতপ্রাপ্ত লােককে গাড়িতে তুলে নিকটবর্তী ডাক্তারখানা বা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া।

brta.gov.bd ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইনে নবায়ন করার সিস্টেম নিয়ে আগামী পোস্টে হাজির হব। ততক্ষণ পর্যন্ত সাথেই থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button